সফটয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: ব্যবহারিক আঙ্গিক-৭


একটা কথা খুব প্রচলিত টিমওয়ার্কের ক্ষেত্রে- “A ‘jelled’ team is a team functioning smoothly – like a well-oiled machine.” কিন্তু স্টুডেন্ট প্রজেক্টের ক্ষেত্রে এটা বেশিরভাগ সময়ই কার্যকর হয় না। একটা টিম যখন কাজ করে তখন নানা ধরনের সমস্যা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কাজ করতে করতেই এই সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে যাবে।

যখন কোন টিমমেট টিমে সমস্যা সৃষ্টি করে , ধরে নিতে হবে এটা সে ইচ্ছাকৃতভাবে করে নি। এছাড়া দলের সবাইকে তার ব্যাপারে সচেতন করে হবে। এবং তাকেও জানিয়ে দিতে হবে, তার আচরন দলে সমস্যার সৃষ্টি করছে। চুপ করে থাকা কখনোই সমস্যার সমাধান করবে না, বরং সমস্যা আরো বাড়িয়ে তুলবে। আসলে এ পর্বটা লেখা হচ্ছে সমস্যা সৃষ্টিকারী টিমমেম্বারদেরকে কিভাবে সামলাতে হয় তা নিয়ে। আসলে একটা টিমের সমস্যা কখনো শেষ হয় না, আর সমস্যার সাধারনত কোন ধরনও নেই। বেশিরভাগ টিমের সমস্যাই এড-হক সমস্যা। তবুও আমি কমন সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

সমস্যা: টিম মেম্বার যদি টিমের সবকিছুতে নাক গলায়, দলের নেতা হিসেবে জাহির হয়। সোজা বাংলায় আমরা যাকে বলি ভাব নেয়া।

সমাধান: এটা আসলে মেনে নেয়া খুব কষ্টকর। প্রত্যেকটা সদস্যদকেই দলে দায়িত্ব পালন করতে হয়, কেউ যদি অন্যেক কাজের ক্রেডিট নিজে নিয়ে নেয়, তাহলে অন্যজন কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে টিম লিডারের উচিৎ সরাসরি তাকে জানানো। আর সে নিজেই যদি টিম লিডার হয়, তাহলে তাকে পরবর্তী মাইলস্টোনের সময় লিডারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া।

সমস্যা: আরেকটা কমন সমস্যা হচ্ছে সাফারিং জিনিয়াস সিন্ড্রম। দলের অন্য সবার চেয়ে নিজেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভাবা এই সমস্যার সৃষ্টি করে।

সমাধান: টিমওয়ার্ক একটা প্রজেক্টের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সমস্যা যদি টিমের কারো মধ্যে থাকে তাহলে সেখানে কাজ করা খুবই সমস্যার। টিম লিডারের উচিৎ ঐ ব্যক্তিকে সরাসরি জানানো। এতে করে তার মোহভঙ্গ হবে।

সমস্যা: টিমের মেম্বার অত্যন্ত ব্যস্ত। সে তার অন্যান্য কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ত, তাই প্রজেক্টের কাজে সময় দিতে পারে না।

সমাধান: সত্যিকারের সমস্যা একজনের থাকতেই পারে। সেক্ষেত্রে দলের সবার উচিৎ তাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করা। তার সমস্যা যদি তার নিজের সৃষ্ট হয়, তাহলে তাকে এ ব্যাপারে সাবধান করে দেয়া দলনেতার দায়িত্ব।

সমস্যা: পারসোনাল এফেয়ার প্রব্লেম একটা কমন সমস্যা। আত্মীয় মারা গেছে, টিম মেম্বার অসুস্থ, গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের সাথে মনোমালিন্য… এই ধরনের সমস্যা।

সমাধান: সমস্যা মানুষের থাকবেই। সমস্যা পাশ কাটিয়েই কাজ করতে হবে। টিম মেম্বারকে মানসিক সাপোর্ট দেয়া, পাশাপাশি তাকে কাজে মনোনিবেশ করতে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব দলের সকলকেই নিতে হবে।

সমস্যা: টিম লিডার নিজের কাজ নিয়েই পড়ে থাকে। টিম লিডারের দায়িত্ব পালন করে না।

সমাধান: কিছু লোক নেতা হওয়ার জন্য আসে নি। তার উপর জোড় করে দলনেতার দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া উচিৎ না। এতে দলের যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত পারফরমেন্সেও ব্যঘাত ঘটে।

সমস্যা: টিম মেম্বার স্কীলড না, দূর্বল। সে তার কাজ ঠিকমত করতে পারছে না।

সমাধান: একটা টিমে কখনোই সবাই একরকম হয় না। যে দূর্বল তাকে কঠিন কাজ দেয়া উচিৎ না। তার সামর্থ্যের মধ্যে কাজ দিতে হবে। এছাড়া দলের স্কীলড মেম্বারদের উচিৎ তাকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করা।

এছাড়াও আরো কিছু সমস্যা থাকে যেমন- টিম মেম্বারের প্রজেক্টের প্রতি আগ্রহ নেই, টিম মিটিংয়ে সে কোন মন্তব্য করে না ইত্যাদি। আসলে এ ধরেনের সমস্যার কোন ধরাবাধা সমাধান নেই। দলের সবার সাথে আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

সাবাশ বাংলাদেশ!!!


সাবাশ বাংলাদেশ!!! সাবাশ বাংলাদেশের ক্রিকেট!!! সাবাশ বাংলাদেশের মানুষ!!!

বিজয়ের মাসে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে। টানা দুই ম্যাচ হারের পর বাংলাদেশ যে এভাবে ঘুরে দাড়াবে তা ভাবতেই পারি নি। বাংলাদেশের ক্রিকেট যে দিন দিন উন্নতি করছে তা চাক্ষুষ হচ্ছে। আমরা আগামী দুই বিশ্বকাপের মধ্যেই কাপটা ঘরে আনবো।

সাবাশ বাংলাদেশ

সাবাশ বাংলাদেশ

আমাদের ছেলেরা করে দেখিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত দল যে দলের ১০ জন ব্যাটসম্যান, সে দলকে কিভাবে কম রানে বেধে ফেলা যায়, যে দল সবেমাত্র আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-২০’র কাপ ঘরে তুলেছে, তাদের কাছ থেকে কিভাবে কাপ ছিনিয়ে নিতে হয়। সাকিব দলে নেই বলে যে দুশ্চিন্তা হচ্ছিল সিরিজ শুরুর আগে, সেটা দূর করে দিয়েছে টাইগাররা। প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশ দলের প্রত্যেকটি খেলোয়ার এক একটা সাকিব। যারা বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কটুকথা বলেছে, বিশেষ করে গাধার বাচ্চা নভোজাত সিং সিধু আর বান্দর শেবাগ, তাদের মুছে চুন-কালি দিয়েছে টাইগাররা। সাবাশ টাইগারস!

শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যে নাটকটা করল সেটা না করলেও পারতো। ওরা রান নেয়নি ঠিক আছে, কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াররা স্ট্যাম্প তুলে কি প্রমান করতে চাইলো। শুধু বাংলাদেশের খেলোয়াররা বলে ম্যাচ শেষে ওদের সাথে হাত মিলিয়েছে। অন্য কোন টিমের খেলোয়াররা হলে সনে হয় না হাত মেলাত। ইলিয়াস সানির কান্ডটা দেখে ১৯৯৯ এর বিশ্বকাপে ল্যান্স ক্লুজনারের কথা বার বার মনে পড়ছে। কাজের কাজ আগে না করে আনন্দে লাফালাফি বেশি করলে পরিনতি হনে হয় এমনি হয়। তবে যে যাই বলুক না কেন, এই ঘটনার কারনে আমি ইলিয়াস সানির ফ্যান হয়ে গেলাম। বাংলাদেশের সিরিজ জেতার আনন্দ কিছুটা হলেও কম হতো, যদি সানি এই কাজটা না করতো।

এই প্রথম একটা ম্যাচে না ভুল বললাম, একটা সিরিজে আগাগোড়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে ভাল খেলতে দেখলাম। আশা করি রিয়াদ ভবিষ্যতে আর কখনোই আমাদেরকে হতাশ করবে না।

শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি বাংলাদেশ ম্যাচ জেতার সাথে সাথেই জাতীয় পতাকা নিয়ে যে শিশুসুলভ উচ্ছাস দেখিয়েছেন, তা দেখে আমি মুগ্ধ। দেশের প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে এমন অনুভূতি থাকা প্রয়োজন। এছাড়া জিল্লু চাচার ছেলে পাপনের সদা হাস্যোজ্বল মুখটাও বার বার মনে পড়ছে।

আবার বলি, সাবাশ বাংলাদেশ!!!

আবোল-তাবোল ২


আজকে ঢাকা ফিরলাম প্রায় ১০ দিন পর। ৪টা বছর টাঙ্গাইল থাকার পর এখন আর টাঙ্গাইল সহ্যই হচ্ছে না। একটু ফুসরত পেলেই ঢাকা চলে আসতে ইচ্ছা করে। ঢাকা জ্যামের নগরী হোক, নোংরা হোক, ঢাকার হাজারটা দোষ থাকুক, তবুও ঢাকা এলেই মনটা ভাল হয়ে যায়। আজকে ঢাকা ফিরতে সময় লেগেছে ৬ ঘন্টার মত, যদিও দুই ঘন্টার রাস্তা। আশুলিয়ার দিকে প্রচন্ড জ্যাম ছিল। নিশ্চিন্তপুর এসে আগুনে পোড়া তাজরিন গার্মেন্টস চোখে পড়ল। মনটা বিষিয়ে উঠেছে এইসব অর্থলোভী নরপিশাচ গার্মেন্টস মালিকদের কাজকর্ম দেখে।

স্যাররা নানা ধরনের পেইন দেয়া শুরু করেছে। আজকে বাহার ভাই সিমুলেশন পরীক্ষার গার্ড দিয়েছেন। আরে বাবা আপনিও তো বছর তিনেক আগে আমাদের জায়গায় ছিলেন। পরীক্ষায় ছেলে-পেলে একটু দেখাদেখি করবেই। তাই বলে এমন আচরন আপনার কাছ থেকে অন্তত আশা করি নি।

গতকাল দিনটা খারাপ গেছে। সকালে পেনড্রাইভটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যায় গেলাম দোকানে ওয়ারেন্টির জন্য, কিন্তু জামাতীদের ভয়ে দোকান-পাট কিছুই খোলে নি। বাসায় ফিরে দেখি ডেক্সটপ আর বুট হয় না। মহা যন্ত্রনা। বাধ্য হয়ে পিসি নতুন করে সেটআপ দিতে হল। বেশ কিছু ডাটা ডেক্সটপে ছিল, সব পগারপার। 😥

বাংলাদেশ আজকে হারল বাজে খেলেছে বলে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভাল খেলে জিতে নি। বাংলাদেশ যদি শুধুমাত্র একটু ভাল ফিল্ডিং দিত আর ক্যাচগুলো না মিস করতো, তাহলে এই কম স্কোরেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আটকে ফেলা যেত। রুবেল এক ওভারে ২৪ রান দেয়ায় যারা ওর চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করছে তাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই, এই রুবেলই কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুইটা ম্যাচে শেষ ওভার বল করে বাংলাদেশকে জয় এনে দিয়েছিল।

আগামীকাল ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১২ সম্মেলন শুরু হচ্ছে। ভাবতেই ভাল লাগছে। ঈদ ঈদ লাগছে। দেশে এই প্রথম এই সম্মেলনে ১০০ মেগাবাইট ব্যান্ডউইথ স্পিডের ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। ইচ্ছা ল্যাপটপ নিয়ে গিয়ে নতুন লিনাক্স প্যাকেজগুলো সব আপডেট দিয়ে আনবো। ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্স এ ধরনের বড় মার্কেট প্লেসগুলোর প্রায় সবকয়টির নজর এখন বাংলাদেশের উপর। দেশ যে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভালই এগিয়ে যাচ্ছে তা চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি। ভাল, ভাল। মুনীর হাসান স্যারের ভাষায় বলি, বাংলাদেশের সেকেন্ড ডিফারেন্সিয়াল নেগেটিভ হোক।

সফটয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং: ব্যবহারিক আঙ্গিক-৬


টিম লিডার

প্রত্যেকটা দলে একজন করে টিম লিডার থাকা প্রয়োজন যার তত্ত্বাবধানে পুরো টিম একসাথে কাজ করবে। স্টুডেন্ট প্রজেক্টগুলোতে নিয়ম-শৃঙ্খলা থাকে না। তাই এক্ষেত্রে টিম লিডার থাকা আরো বেশি জরুরী। টিম লিডার মানে এই নয় যে তার অবস্থান টিমের সবার চেয়ে উপরে বা সবার চেয়ে ভাল। টিমের অন্য একজন প্রজেক্টের জন্য যতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, টিম লিডারও ততটুকু গুরুত্বপূর্ণ। সে শুধুমাত্র বাড়তি কিছু দায়িত্ব পালন করে নিজের কাজের পাশাপাশি।

এটা পরীক্ষিত যে লিডারশিপ রোটেশন অর্থাৎ, যদি দলের সবাই কিছুদিন করে টিম লিডারের দায়িত্ব পালন করে তাহলে প্রজেক্টের আউটপুট ভাল হয়। এতে করে দলের সবাই কাজের প্রতি যত্নবান হয় এবং কাজের মধ্যে একটা প্রতিযোগীতার মনোভাব সৃষ্টি হয় যা একটা ভাল প্রজেক্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যে কোন সিদ্ধান্ত নেবার টিম লিডারকে দলের সবার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ। এতে ভুলের সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। একজনের মাথা থেকে যে বুদ্ধি আসে পাঁচজন বা দশজনের মাথা থেকে অবশ্যই আরো ভাল বুদ্ধি আসবে।

টিমে মানিয়ে চলা

এবার আলোচনা করবো একটা দলে কাজ করতে গেলে সাধারনত কি কি ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয় তা নিয়ে।

সমস্যা: দলের সবাই আপনার মতের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরামর্শ: যদি তোমার ডিসিশন দলের সবার সাথে নাও মিলে যায় তবে এটা ভাল কোন আউটকাম এনে দিতেও পারে। একটা কথা আমি বিশ্বাস করি, ম্যাক্সিমাম এজ অলওয়েজ রাইট। আসলে দলের সবাই মিলে যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা অবশ্যই অনেক ভেবে চিন্তে নেয় এবং দলের ভাল’র জন্যই নেয়। যদিও সব সিদ্ধান্ত সব সময় সঠিক হয় না, তবুও দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

সমস্যা: দলের অন্যান্য সদস্য পূর্বপরিচিত, নিজেকে আউটসাইডার মনে হওয়া। কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব না পাওয়া।

পরামর্শ: এই সমস্যার প্রথম সমাধান হচ্ছে রেইজ ইউর ভয়েজ। আপনি দলের সবাইকে বলুন এর চেয়ে বেশী আপনি করতে পারেন। যদি এতে কাজ না হয় তাহলে আপনার টিমলিডার বা সুপারভাইজারকে জানান। আর এই সমস্যা দেখা দেয়ার সাথে সাথেই পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। দেরী করলে সমস্যা আরো বাড়ে।

সমস্যা: আপনার টিম আপনাকে ছাড়াই কাজ ভালভাবে শেষ করছে। আপনার কাজের সঠিক মূল্যায়ন পাচ্ছেন না।

পরামর্শ: আপনি আপনার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করুন এবং কেউ যদি আপনাকে দেয়া কাজ নিজে করে ফেলে তাকে সরাসরি জানান। সমঝোতার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করা উচিৎ। আর আপনার কাজের মান যদি ভাল না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের সাহায্য নিয়ে নিজের কাজের মানের উন্নতি করার চেষ্টা করুন।

সমস্যা: আপনি আপনার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেন নি। আপনি আপনার দলের অন্যদের মত স্কিলধারী নন।

পরামর্শ: কোন টিমই পারফেক্ট না। প্রত্যেকটা টিমেই কমবেশি সমস্যা থাকে। আপনি হয়তো প্রোগ্রামিংএ দূর্বল কিন্তু অন্য দিক যেমন ডেটাবেজ ডিজাইনে আপনার ভাল দক্ষতা রয়েছে। তাহলে আপনি আপনার টিম লিডারকে অবহিত করুন যাতে আপনার উপর এ ধরনের দায়িত্বই অর্পিত হয়। এছাড়া নিজের স্কিল বাড়ানোর জন্য দলের অন্যান্য সদস্যদের সাহায্য নিন এবং নিয়মিত এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বই পড়ুন। আমি নিজে বিশ্বাস করি, যে কোন কিছু শেয়ার সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে বই।